বিশ্বজুড়ে বিবাহ বিচ্ছেদের সহজ পরিচিতি থাকলেও ব্যক্তি জীবনে খুবই করুন ঘটনা। হঠাৎ করে সঙ্গী হারিয়ে একাকিত্ব আর দুশ্চিন্তায় মানসিক অবস্থা থাকে বিপর্যস্ত। দাম্পত্য ভেঙে গেলে দুটি পরিবারেরও সম্পর্ক ভেঙে যায়।
এতে শুধু দুজন ব্যক্তিই নয় দুটি পরিবারও ভুক্তভুগী হয়। নানা ধরনের প্রতিকূলতার সম্মুখিন হতে হয় উভয়কে। তাই কেউই চাই না সুখের দাম্পত্য ভেঙে যাক। কিন্তু আপনার অজান্তেই হয়তো সংসারে ভাঙনের বীজ বপন হচ্ছে। বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য সৃষ্টি হচ্ছে গোপন কিছু কারণ। তাই কিছু বিষয়ে থাকা চাই সচেতন।
* দাম্পত্য জীবনে একে অপরকে সময় দেয়া খুব জরুরি। সংসার, সন্তান, পরিবার, অফিস সবকিছু সামলে নিয়ে পরস্পরকে একান্তে সময় দেয়া চায়। কিন্তু সেখানেই থাকে ঘাটতি। একসময় দেখা দেয় পারিবারিক ভাঙন। আপাতদৃষ্টিতে কিছু মনে না হলেও এর চরম মূল্য দিতে হয় উভয়কে। তাই, ব্যস্ততা স্বত্তেও একে অপরকে একান্তে সময় দেয়া চায়।
* খুব বেশি অর্থের অভাব কিংবা খুব বেশি অর্থ পিপাসা দাম্পত্যকে ঠেলে দেয় ডিভোর্সের দিকে। এই দুটিই ভালোবাসা নষ্ট করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।
* দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য পরিবারিব ব্যাপারে অন্যের নাক গলানো যথেষ্ট ক্ষতিকর। মা, বাবা, ভাই, বোন অবশ্যই জীবনে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দাম্পত্যে অপরের কুপরামর্শ গ্রহণ করা একেবারেই অনুচিৎ।
* সম্পর্কে আন্তরিকতার অভাব খুব সহজেই আপনাকে ডিভোর্সের দিকে ঠেলে দিতে পারে। মানুষ বিয়ে করেন পাশে একজন সঙ্গী পাওয়ার জন্য, ভালোবাসার জন্য। তাই পরস্পরের প্রতি আন্তরিক থাকার চেষ্টা করুন।
* সন্তান না হওয়াও দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট করে দিতে পারে। আবার সন্তানের জন্য প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে নিজের সঙ্গীকে অবহেলা করাও সম্পর্ক ভাঙার মূল কারণ। বিশেষ করে নারীরা এই ভুলটি খুব করেন।
* নেশাদ্রব্যের প্রতি আসক্তি সংসার তো ভাঙতেই পারে। এছাড়াও পরনারী বা পুরুষের প্রতি অতি আগ্রহ, পর্ণগ্রাফি আসক্তি ইত্যাদিও সংসার ভাঙা তথা ডিভোর্সের জন্য দায়ি হয়ে থাকে।
* পরস্পরকে শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্যাতন করা কোনভাবেই শান্তি আনে না। ভালোবাসার জন্য দাম্পত্য, নির্যাতনের জন্য নয়।
* পরস্পরের মতের ও আদর্শের অমিল যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতেই থাকে, তাহলে ভাঙন অনিবার্য।
*এক গবেষণায় দেখা গেছে বিচ্ছেদে নারীদের পারিপার্শ্বিক সমস্যা হয় বেশী।সম্পাদনায়, মোঃ ইমাম উদ্দিন সুমন।




No comments :
Post a Comment